১০৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে বৈশ্বিক আইসক্রিম বাজার

ম্যাগনাম আইসক্রিমের পূর্বাভাস অনুসারে, আগামী পাঁচ বছরে অর্থাৎ ২০২৯ সালে বৈশ্বিক আইসক্রিম বাজার প্রায় ১০৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে।

ম্যাগনাম আইসক্রিমের পূর্বাভাস অনুসারে, আগামী পাঁচ বছরে অর্থাৎ ২০২৯ সালে বৈশ্বিক আইসক্রিম বাজার প্রায় ১০৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে। একই সঙ্গে বেন অ্যান্ড জেরি’স নিয়ে ইউনিলিভারের চলমান বিতর্ক সামনের দিনগুলোয় আরো তীব্র হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে শিগগিরই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাওয়া কোম্পানিটি। খবর রয়টার্স।

ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে অনেক দিন ধরে বেন অ্যান্ড জেরি’সের সঙ্গে ইউনিলিভারের মতবিরোধ চলছে। নতুন স্পিনঅফে ম্যাগনাম আইসক্রিমের বড় অংশজুড়ে থাকবে বেন অ্যান্ড জেরি’স। এখন কোম্পানিটি বলছে, বেন অ্যান্ড জেরি’সের বোর্ড চেয়ারের পদ ধরে রাখার যোগ্য নন অনুরাধা মিত্তাল।

ইউনিলিভার থেকে আলাদা হয়ে ম্যাগনামের নতুন আইসক্রিম ব্যবসা আগামী ডিসেম্বরে আমস্টারডামে তালিকাভুক্ত হতে চলেছে।

মূল প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভারের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে ২০২১ সালে পশ্চিম তীরে আইসক্রিম বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেয় বেন অ্যান্ড জেরি’স। এ নিয়ে মামলাও হয়েছে। বেন অ্যান্ড জেরি’সের অভিযোগ, ইউনিলিভার তাদের চুপ করানোর চেষ্টা করছে। কোম্পানিটি গাজায় ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে, যা কোনো বড় মার্কিন ব্র্যান্ডের জন্য অস্বাভাবিক।

অবশ্য স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেয়া নথিতে বোর্ড চেয়ার অনুরাধা মিত্তালের নাম উল্লেখ করেনি ম্যাগনাম। কোন মানদণ্ডে তিনি অযোগ্য, তাও বলা হয়নি।

বেন অ্যান্ড জেরি’সের সহপ্রতিষ্ঠাতা বেন কোহেন গত মাসে সতর্ক করে বলেছেন, স্পিনঅফ সম্পন্ন হলে ইউনিলিভারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব আরো তীব্র হবে। কারণ তখন ম্যাগনামের ব্যবসার উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে থাকবে বেন অ্যান্ড জেরি’স।

ইউনিলিভারের পূর্বাভাস অনুসারে, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ম্যাগন্যামের অর্গানিক বিক্রি ৫ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং আয় হতে পারে ৫২৫ কোটি ডলার। স্পিনঅফ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ম্যাগনামের নিয়ন্ত্রণে আসবে বিশ্বের ৮ হাজার ৮০০ ডলারের আইসক্রিম বাজারের এক-পঞ্চমাংশ। তখন তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবে নেসলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ফ্রনেরি।

আরও